অষ্টগ্রামে ১৪৪ ধারা জারিকৃত জায়গায় অবাধে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে টেনু মিয়াগংরা ! আইনের প্রতি বুড়ো আঙুল !! 

0
79
স্টাফ রিপোর্টারঃ কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম থানার কাতার প্রবাসী ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে আদালতের ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে অবাধে
 রাস্তায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে অষ্টগ্রাম পূর্বঅটিজাম পুকুরপাড়ে মৃত মহব্বত আলী’র ছেলে টেনু মিয়াগংদের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, টেনু মিয়া গংরা দীর্ঘদিন যাবত অভিযোগকারীদের জমি দখলের চেষ্টা করে আসছিল। এই নিয়ে পূর্ব থেকেই মামলা মোকদ্দমা চলছে দীর্ঘ দিন যাবৎ।

স্হানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে সুনির্দিষ্টভাবে কোন সমাধান না পাওয়ায় একই গ্রামের মৃত আনোয়ার আলী’র ছেলে বিদ্যান মিয়া বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে  একটি মামলা দায়ের করেন।  মোকাদ্দমা নং- ১২৪০/২০২২ ইং তারিখ, ২২/০৯/২০২২ইং, ধারা ১৪৪/১৪৫, এই মামলাটি দায়ের করার পরিপেক্ষিতে অষ্টগ্রাম থানার মাধ্যমে ১৪৪ ধারা নোটিশও জারি করা হয়েছে। নোটিশে স্পষ্টতর উল্লেখ রয়েছে যে, আপনাদের উভয় পক্ষগনকে এই মর্মে নোটিশ প্রদান করা যাইতেছে যে, ১মপক্ষ বাদী , ২য় পক্ষগনের বিরুদ্ধে, বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নং ০২, কিশোরগঞ্জ হাজির হইয়া নিম্ন তফসিল বর্ণিত ভূমির বিষয়ে সূত্রে বর্ণিত মোকাদ্দমা দায়ের করিয়াছেন। বিজ্ঞ আদালত উভয় পক্ষকে উক্ত ভূমিতে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখার জন্য নির্দেশ প্রদান করিয়াছেন। বিধায় নালিশী ভূমির স্থিতি অবস্থা বজায়সহ উভয় পক্ষই নিজ নিজ অবস্থানে থাকিয়া শান্তি শৃংখলা বজায় রাখিবেন। কাহারো দ্বারা শান্তি ভংগের কারন ঘটিলে তাহার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হইবে। আগামী ইং- ২৭/১০/২০২২ তারিখ বিজ্ঞ আদালতে হাজির হওয়ার দিন ধার্য আছে।

কিন্তুক ২য় পক্ষ বিবাদী টেনু মিয়াগংরা ১৪৪ধারা কে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে নিয়মিত কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাদী পক্ষের ব্যক্তিরা।

এবিষয়ে অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এই মামলার বিষয়ে উভয় পক্ষের প্রতি নোটিশ জারি করা হয়েছে।

নোটিশ জারির পরবর্তী সময়ে বাদী পক্ষ থেকে মোবাইল ফোনে আমাকে জানানো হল বিবাদী টেনু মিয়া ১৪৪ধারা জারিকৃত জায়গায় কাজ কর্ম চালিয়েছে। পরে  এস আই মোঃ আব্দুল আজিজ কে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এবং বিবাদী পক্ষের টেনু মিয়াদের’কে কঠোরভাবে সর্তকতার সাথে নিষেধ করাসহ পরবর্তী সময়ে কাউকে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের কোন কার্যক্রমে পাওয়া গেলে আইনত ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে বলে সর্তক করা হয়েছে।

স্হানীয় ও বাদী সূত্রে  জানা যায়, স্হানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের জনৈক ব্যক্তির আস্কারা পেয়েই টেনু মিয়াগংরা এমন অপ্রতিকার্যকলাপা চালানোর সাহস পাচ্ছে বা করে যাচ্ছে।
আর বিবাদী পক্ষের সাথে যোগাযোগ করলে, তারা বলেন বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং অহেতুক আমাদের কে মামলা মোকদ্দমা দিয়ে হয়রানী করছে।
স্হানীয় ইউ’পি সদস্য মোঃ বাচ্চু মেম্বারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন বিষয়টি আমার নলেজে নেই। আমি এই বিষয়ে কোন কিছু বলতে হলে আমার সরজমিনে গিয়ে তদন্ত পূর্বক বলতে হবে। পরে তদন্ত করে তিনি বলেন, আমার জানামতে টেনু মিয়া ও বিদ্যান মিয়া তারা চাচাত ভাই এবং একই গোষ্ঠীর লোক বটে। কিন্তুক জমি সংক্রান্ত বিষয়টি অনেক দিন পূর্বে থেকেই বিরুদ্ধ চলে আসছে। যা বর্তমান চেয়ারম্যান কাছেদ মিয়া বিষয়টি নিয়ে নিষ্পত্তি করার জন্য চেষ্টা করেছেন। মুলত বিষয়টি হল পূর্বের বিরোধের জেরে আজ এতটুকু গড়িয়ে আসছে, তাও আবার জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়েই এই বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে।
এই বিষয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ কাছেদ মিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এই জমিটা আমার বড় ভাই আবুল কাশেম ওরফে আবুল মিয়ার কাছ থেকে টেনু মিয়া ক্রয় করেন। এই জমি সংক্রান্ত বিষয় এর আগেও মামলা মোকদ্দমা হয়েছে এবং তা নিয়ে নিষ্পত্তি করারও চেষ্টা করছি কিন্তুক তা উভয় পক্ষের মতামত এক না হওয়ার কারনে বিষয়টি সমাধান হয়নি। এই বিষয়ে আমার বড় ভাই জমি বিক্রি সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের  সাথে যোগসাজশ রয়েছে। জমি বিক্রি করার সুবাদেই তিনি এই বিষয়টি নিয়ে মাঝে মধ্যে কথা বলে থাকেন।
 এছাড়া আমি আমার বড় ভাই’কে অনেক কিছু বলেছি যাতে ঐ বিষয় কোন প্রকার হস্তক্ষেপ না করেন। এবং বাদী ও বিবাদী পক্ষ উভয়ই আমার আত্মীয় হয়। কারো সাথে আমার কোন বিরোধ নেই। বিদ্যান মিয়া যখন টেনু মিয়া উপর ১৪৪ ধারায় মামলা দায়ের করেন, বিষয় টি অবগত হই। তাছাড়া আমাদের থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে বিষয়টি নিয়ে আমার কথা হয়েছে। আমি চেষ্টা করছি বিষয়টি নিষ্পত্তি করার জন্য।
বাদী পক্ষের লোকজন  অভিযোগ জমি সংক্রান্ত ক্রয় ও বিক্রয়ের বিষয়ে আপনার নিকটতম আত্মীয়রা প্রভাবিত করছে বিবাদী পক্ষ কে। এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিবেদকে বলেন, আমি বা আমার কোন আত্মীয় কোন প্রকার হস্তক্ষেপ করিনি। প্রয়োজনে বিষয়টি কতিয়ে দেখে তার উপর যে ব্যবস্হা গ্রহণ করা হলে আমার কোন প্রকার হস্তক্ষেপ থাকবেনা। এমনকি যদি কোন ব্যক্তি বা আমার আত্মীয় স্বজনরা এই বিষয়ের প্রতি প্রভাব বিস্তার করে তার অপরাধের সাথে আমি সঙ্গী হব না।
পরবর্তীতে চেয়ারম্যানের বড় ভাই মোঃ আবুল কাশেমের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে কথা বললে, তিনি একপর্যায়ে বলে উঠেন আমি বা আমরা চাইলে যে কোন ব্যক্তিকে ঘরবৈঠক করে রাখতে পারি। শুধু পারি যে তা কোন কথা নয়। আমার সাথে বাদী বিদ্যান মিয়াদের পূর্বে একটি ঝামেলা হয়ে ছিল সেই জমি নিয়ে। আমার আত্মীয় স্বজনরা তাদের বাড়ি ঘর ভাংচুরসহ টানা সপ্তাহ দিন যাবৎ ঘর কোনঠাসা করে রেখে দেখিয়ে দিয়েছি যে, আমরা চাইলে যা কিছু ইচ্ছে করতে পারি। আমরা এলাকায় প্রভাবশালী ও সম্পদশালী তা লুকিয়ে রাখার কিছু নেই। এই বিষয়টি এলাকার সকল মানুষই জানেন। এমন অবাক করা দুর্সাহসী ভাষ্য আবুল কাশেম ওরফে আবুলের কাছ থেকে প্রকাশে কি প্রমানিত হয়?
১৪৪ ধারায় মামলা দায়ের করা বাদীর এজহারীয় ভাষ্যটি হল, ২য় পক্ষগণ দাঙ্গাবাজ, কলহপ্রিয় ও ভূমিদস্যু প্রকৃতির লোক।
তাহাদের লোকজন নিয়ে। নিরীহ লোকজনের জায়গায় জমি জাল জালিয়াতির মাধ্যমে গ্রাস করিয়া আসিতেছে। নিম্ন তফসিল বর্ণিত ভূমি আমি একখানা সাফকাওলা রেজিষ্টি দলিল মূলে এস.এ ৪৮১ নং খতিয়ানের ভূমিতে সুর বালা দত্ত রায় স্বত্বমান মালিক দখলকার অবস্থায় বিগত ১৬/১২/৫৮ ইং তারিখে সম্পদিত (রেজিস্ট্রিকৃত ৪৪৯৭ নং দলিলমূলে ৭৫
দাগে ৬০ শতাংশ ভূমি আমার পিতা ও চাচাগন
হরোয়া আপোষ কন্টাল ৬০ শতাংশ আস্ত হয় এবং বাকি ৫৯ শতাংশ ভূমি ১মপক্ষ শান্তিপূর্ণ ভাবে আদর্শ বর্ষের বহু ঊর্জ কাল যাবত দখল করিয়া ফসলাদি উৎপাদন করিয়া আসছে । পরবর্তীতে আমার চাচা কুতুব আলী ৫২৪ নং দলিল মূলে  কামরুল হাসান এর নিকট ৬০ শতাংশ বিক্রি করিয়া দখল অর্পন করেন। পরবর্তীতে কামরুল হাসান আবুল কাসেমের
বরাবরে উক্ত ৬০ শতাংশ ভূমি বিক্রি করেন।
কিন্তু ইদানিং ২য়পক্ষগণ অন্যায় ও দূর্লোভের বশবর্তী হইয়া জায়গা জোরামূলে দখল করিয়া নেওয়ার পায়তারা করিতেছে। ২য়পক্ষগণ
জনবলে বলিয়ান হওয়ায় ঘটনার তারিখ ও সময়ে আমার দাবীর তপছিল বর্ণিত ভূমিতে ধান রোপন করিতে গেলে ২য়পক্ষগণ আমাকে বাধা
নিষেধ প্রদান করে। সকল ২য়পক্ষগণ তপছিল বর্ণিত ভূমি জবর দখলের অপচেষ্টায় লিপ্ত হইয়া দেশীয় অস্ত্রাদি দা, লাঠি, কুদাল, কুড়াল ইত্যাদি
অস্ত্রাদি নিয়া আমাকে খুন করার জন্য উদ্যত হইলে আমি বাঁচাও বাঁচাও বলিয়া চিৎকার দিলে স্হানীয় লোকজন আসিয়া আমাকে ২য়
পক্ষগণের কবল হইতে রক্ষা করে এবং উক্ত ভূমি জবর দখল করা হইতে ২য় পক্ষগণকে নিবৃত্ত করে। ২য় পক্ষগণ চলে যাওয়ার সময় হুমকি দিয়া যায় যে, সুযোগমত যে কোন সময় আমাকে খুন করিয়া হইলেও উক্ত ভূমি দখল
করিয়া নিবে। ২য় পক্ষগণের এহেন আচরণে মারাত্মক শাস্তি ভঙ্গের আশংকা রহিয়াছে বিধায় আমিও আমার পরিবারের লোকজনের জীবন নিরাপদে নিশ্চিত করতে আইনি সহায়তায় জন্য উক্ত মোকদ্দমায় আসতে বাধ্য হই।

১৪৫ ধারা ভঙ্গের শাস্তি কিঃ

১৪৫/১৪৪ ধারা ভঙ্গের শাস্তি হলো স্থিতাবস্থা বজায় রাখার জন্য এর উপদেশ দিয়ে থাকেন নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট। শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য । ১৪৫/১৪৪ ধারা ভঙ্গের  কারণে তার শাস্তি হতে পারে  সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত  কারাদণ্ড  এবং 1000 টাকা অর্থদন্ড হতে পারেন।

১৪৪ ফৌজদারি কার্যবিধিঃ ১৪৪ ধারা বলতে আসলেই কোন আইনের ১৪৪ ধারা কে বোঝানো হয়ে থাকে, মূলত ১৪৪ ধারা হলো বাংলাদেশের যে ফৌজদারী কার্যবিধি রয়েছে অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ধারা ১৪৪ বা ১৪৪ আইনের ক্ষমতা বলে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোন এলাকায় একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য যেকোনো ধরনের সভা-সমাবেশ করা কে নিষেদ্ধ  করতে পারেন এমনকি আগ্নেয়াস্ত্র বহন সহ অন্যান্য যে কোন কাজকে নিষিদ্ধ করতে পারে । মূলত জরুরি অবস্থা সম্ভাব্য বিপদজনক কোন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে এরকম কোনো আশঙ্কা থাকে অথবা সেগুলো নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হয় তখনই মূলত আইনের ধারা প্রয়োগ করা হয়ে থাকে । তাহলে চলুন দেখে নেয়া যাক মূলত জরুরী অবস্থা বা বিপদ পরিস্থি আশঙ্কা থাকে তাহলে যেকোনো নিয়ন্ত্রণের জন্য আইনের আইন এই ধারা প্রয়োগ করা হয় । মূল আইনিটি ১৪৪ ধারা সম্পর্কে কি বলছে? ১৪৪ ধারা যদি আমরা পর্যালোচনা করি তাহলে দেখতে পাই জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কতৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এই আদেশ দিতে পারেন এবং তিনি কখন দেবেন এই আদেশটি, যদি মনে হয় যে আইন সঙ্গতভাবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির প্রতি কোনো বাধা বিরক্তি ক্ষতি অথবা কোন জুকির সম্ভাবনা রয়েছে অথবা মানুষের জীবন স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ইত্যাদির। প্রতি কোনো ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে অথবা জন শান্তি ভিগ্ন হওয়ার  মতো কোনো ঘটনা রয়েছে অথবা কোন দাঙ্গা বা মারামারি সৃষ্টি হতে পারে এরূপ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্যই মূলত ১৪৪ ধারা জারী করা হয়ে থাকে এবং ১৪৪ ধারা জারি করার সময় ১৩৪ ধারার অধীনে একটি নোটিশ এর বিধান রয়েছে। তবে sub-section২ বলা হয়েছে যদি জরুরি পরিস্থিতিতে যার উপর আদেশ দেয়া হচ্ছে সময়মতো তার ওপর নোটিশ জারি করার মতো পরিস্থিতি বিদ্যমান না থাকে সেক্ষেত্রে একতরফাভাবেই ১৪৪ ধারার আদেশ প্রদান করা যায়। তাহলে এ ধারার বিষয়বস্তুকে যদি আমরা খুব সংক্ষেপে বলতে চাই তাহলে আমরা কি বলতে পারি? আমরা বলতে পারি ১৪৪ ধারা জারি করা যায় যদি মনে হয় যে আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তি যার কোন কাজে কোন বাধা বিরুদ্ধে হচ্ছে বা কোনো ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে অথবা যদি পরিস্থিতিতে এমন হয় মানুষের জীবন স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার কোন আশঙ্কা রয়েছে বা কোন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। আবার যদি এরকম হয় যে কোনো শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে কোন দাঙ্গা হতে পারে কোন মারামারি হতে পারে বা ইত্যাদির আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে তখন ১৪৪ ধারা জারি করা যায় আবার যদি এরকম হয় যে উপস্থিত সময় বিবেচনায় পরিস্থিতি খুবই জটিল এবং ১৪৪ ধারা জারি করা আবশ্যক সেক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করা যেতে পারে । আবার এই ১৪৪ ধারা জারি করার ক্ষেত্রে নোটিশের বিধান রয়েছে ১৩৪ ধারায় কিন্তু তারপরও বলা হয়েছে যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে নোটিশটা জারি করা সম্ভব না তাহলে একতরফাভাবে ও কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই ১৪৪ ধারার আদেশ দেওয়া যায় আমাদের আরও কিছু বিষয় মনে রাখতে হবে যে ১৪৪ ধারা দিতে পারে কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ।এবং আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এই যে ১৪৪ ধারা আদেশ সেটি কিন্তু দুই মাসের বেশি বহল থাকবে না অর্থাৎ এটির মেয়াদ হচ্ছে দুই মাস তারপর যদি বাড়াতে হয় সে ক্ষেত্রে সরকারের অনুমতির প্রয়োজন হবে।

এবার একটা বিষয় নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে সচেতন মহলের, তাহলে কি বাদী বিদ্যান মিয়ার ১৪৪ ধারা’র মোকদ্দমা কি নামে মাত্র নোটিশ জারি করছেন অষ্টমগ্রাম থানা পুলিশ?  নাকি  এখানেও স্হানীয় প্রশাসনের ক্ষমতার কাছে নিঃপুলিশ?  জানতে চায় অষ্টমগ্রাম উপজেলার সচেতন মহলের নাগরিকসহ সুশীল সমাজের বিশিষ্টজনেরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here