আমার মা আর কতো গরিব হলে সরকারী ঘর পাবে ?

0
107

লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ স্বামীর দেয়া ১ শতক ও জামাইয়ের কেনা ২ শতকসহ মোট তিন শতক জমির উপর দুই পরিবারের বসবাস। মেলেনি কোন সরকারী ভাতার কার্ড। নেই কোন সরকারী অনুদানও। লকডাউনের পর কেও খবর রাখেনি । আর কত গরিব হলে সরকারী ঘর পাওয়ার যাবে জানেন জানালেন বৃদ্ধা আনোয়ারা বেগম।

আনোয়ারা বেগমের বাড়ি লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার সিংগীমারী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের তেলিপাড়া নামক গ্রামে। স্বামী আমের উদ্দিন একজন রিক্সা চালক।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে মাত্র ৩ শতক জমিতে দুইটি ঘরে মেয়ে-জামাই এক ঘরে ও বৃদ্ধা আনোয়ারা বেগম ও স্বামী আমের উদ্দিন থাকেন জরাজীর্ণ অন্য ঘরে।

আনোয়ারা বেগম জানান,এখন পর্যন্ত কোন সরকারী ত্রাণ পাইনি সে।স্বামী রিক্সা চালক আর আমি সারাদিন অন্যের বাসায় ঝি এর কাজ করে যেটুকু পাই তা দিয়ে কোন রকম চলে সংসার। ঘর ভাল করার টাকা পয়সা পাব কোথায়। হালকা বাতাসেও দোলে ঘর এমনি অবস্হা। ঝড় বৃষ্টি হলে খুব ভয়ে ভয়ে রাত কাটে তার এই বুঝি ঘর ভেঙ্গে মাথায় পড়লো। আর লকডাউনে কেউ কাজে ডাকেছে না। খুব কষ্টে কাটছে দিন।
বৃদ্ধার মেয়ে নজিমা বেগম জানান,আমার স্বামী রিক্সা চালক। আমি স্থানীয় একটি চাল কলে কাজ করি। কোন রকম টেনেটুনে চলে আমাদের সংসার। এ অবস্থায় মায়ের ঘর ভাল করার মতো সামর্থ আমার স্বামীর নাই। আমার মা আর কতো গরিব হলে সরকারী ঘর পাবে।সরকারী ঘর আমার মায়ের হক।

এ বিষয়ে জানতে চাই অত্র ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আক্কেল হোসেন জানান, আনোয়ার বেগম আমার প্রতিবেশী। আসলেই অভাবের কারণে তাদের থাকার ঘরটি নরবরে অবস্থা। আনোয়ারা বেগমকে একটি সরকারী ঘর দিলে উপকৃত হবে।

এ বিষয়ে সিংগীমারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন দুলু বলেন,আপাততো গুচ্ছগ্রাম ছাড়া ব্যক্তি মালিকানা জমিতে কোন ঘর বরাদ্দ নাই।২০১৭ সালে ৩৫০ ঘরের তালিকা পাঠানো হয়েছেও বলে জানান তিনি। তবে আজ পর্যন্ত তার কোন উত্তর পাওয়া যায়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here