জাফর হটাও, বিএমএসএফ বাঁচাও – আবুল হোসেন 

0
97

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) প্রতিষ্ঠালগ্নের অন্যতম সংগঠক আবুল হোসেন তালুকদার। ত্যাগী নেতা হিসেবে আজও বিএমএসএফ নেতা কর্মিদের কাছে মর্যাদার উচ্চ আসনে অবস্থান রয়েছে তার। কিন্তু আহমেদ আবু জাফরের ব্যাপারে এই নেতারও সীমাহীন বিরক্তি, রাজ্যের ঘৃণা পোষণ করেন, নিজেই লিখেছেন……..জাফর হটাও, বিএমএসএফ বাঁচাও……… ।

জাফরের মত মিথ্যাবাদীর কথা কি বলবো। ২০১৪ সনে সংগঠনের প্রথম কাউন্সিলে আমি সহ-সভাপতি নির্বাচিত হই। সেই সময় জাফরকে রাখা হয় সমম্বয়কারী। পরে ২০১৬ সনে নিরো ভাইকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। তখন জাফর হয় সাধারন সম্পাদক। আর এই বাটপার সর্বমহলে পরিচয় দেয়, সে নাকি প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক। আর তার কিছু অনুসারী সেই সুরে তাল মিলায়।মীর জাফরের কাহিনী কত বলবো, পুরো একটি বছর নিরো ভাইর টাকায় ঢাকায় থাকা, খাওয়া ও জাফরের বাড়ীর খরচ চালায় নিরো ভাই । তার টাকায় খেয়ে তার বিরুদ্ধে ষরযন্ত্র করে এবং তাকে (নিরো ভাইকে) সভাপতি থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। পরে সংগঠনের স্বার্থ রক্ষায় পাইলট ভাইকে সভাপতি বানানো হয়। এ সময় আবুল কালাম আজাদ, এ্যাড. কাওসার ভাই, মনজু ভাই, মাইনুল, বরিশালের নোমানী ভাই ও কামাল হোসেনসহ আরো কয়েকজন ছিলাম। সংগঠনের পিছনে জাফরের নগদ একটি টাকা খরচ না হলেও সে হচ্ছে প্রতিষ্ঠাতা। আর সেই শুরু থেকে আমরা যারা সংগঠনে সময় দিয়েছি। আমাদের শ্রম, অর্থ ব্যয়, সময় নস্ট এ সবের কোন মূল্য নাই। অপরদিকে জাফর জোমাদ্দার নাম পরিবর্তন করে ভূয়া নাম আহমেদ আবু জাফর ব্যবহার করে। ভূয়া নাম ব্যবহার ও সংগঠনকে পুজি করে দেশ বিরোধীদের সাথে সভা-সমাবেশ করার প্রতিবাদ করায় জাফর আমাদের সরানোর পায়তারা করে ও সফল হয়। আমরা কয়েকজন মীর জাফরের সাথে পদ পদবী নিয়ে টানা হেচড়া না করে সংগঠন থেকে সরে গিয়ে আমরা ১২১ সদস্য বিশিষ্ঠ জাতীয় কমিটি গঠন করি যার সভাপতি আমি এবং সাধারন সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ। পরে এই বাটপার আমার আর আবুল কালাম আজাদ এর মধ্যে ভাঙ্গন ধরালে আমরা ব্যর্থ হই। এর পরে মীর জাফর আমার এক বড় ভাইয়ের সাথে অনেক কান্না-কাটি করে তার মাধ্যমে আমাকে কার্যকরী সভাপতি মনোনয়ন করে। পরে তার নানা অনৈতিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করি এবং সংগঠন থেকে চলে যাই।েএই বাটপার সদস্যদের কাছ থেকে চাঁদা উঠিয়ে সংসার চালায়, নিজে চলে আবার বড় বড় কথা বলে। জাফর মনে করে বিএমএসএফ তার বাবার সম্পদ সে একাই ভোগ করবে। সারা জীবন সাধারন সম্পাদক থাকবে। আর সবাই ওর কর্মচারী। মূলত কিছু নামধারী সাংবাদিকরা ওর কথা মত বিকাশ করে আর বড় বড় পদ লাভ করে। এটা আমাদের মত পেশাদার সাংবাদিকরা মেনে নিবে কেন ? পরবর্তীতে সাংবাদিক সাইদুর রহমান রিমনকে সংগঠনে জয়েন্ট করিয়ে পিঠ বাচায়। তবে তার দ্বারা স্বার্থ হাসিল করতে না পেরে তাকে নিয়েও নানা ষরযন্ত্র শুরু করে এই মীর জাফর। তবে পেশাদার সাংবাদিকদের একটাই দাবী জাফর হটাও, বিএমএসএফ বাঁচাও।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here