তরমুজের ক্ষেত পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছে পাইকগাছার চাষীরা

0
394

এফআইআর টিভি অনলাইন ডেক্সঃ আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর তরমুজের বাম্পার ফলন হবে এবং উৎপাদিত তরমুজ করোনাকালীন গ্রামীন অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে মনে করছেন কৃষিবীদরা। পাইকগাছায় চলতি মৌসুমে ১১শ’ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। যা বিগত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, তরমুজ পুষ্টিগুণে ভরা একটি ফল। এর প্রায় ৯৬ শতাংশ পানি। তরমুজ প্রচন্ড গরমে পানির চাহিদা পূরণ ও শরীর ঠান্ডা রাখে, উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে, হৃদপিন্ড ভালো রাখে। পুষ্টিবিদদের মতে, তরমুজের বহু ঔষধীগুণ রয়েছে। তরমুজ মানব দেহের হৃদরোগ, হাপানী, মস্তিকের রক্তক্ষরণ ও ক্যান্ডার প্রতিরোধ করে।

বর্তমানে নিবিড় পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছে তরমুজ চাষীরা। নিয়মিত তরমুজ ক্ষেত পরিদর্শন ও চাষীদের পরামর্শ দিচ্ছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তারা। দুই ইউনিয়নের দায়িত্বে থাকা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ তরমুজ চাষীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এবং সার্বিক তদারকি করছেন।

দেলুটির সৈয়দখালী গ্রামের চাষী লোটন সরদার জানান, এ বছর আমি ১০ বিঘা জমিতে তরমুজের চাষ করেছি। বর্তমানে ফসলের অবস্থা খুবই ভালো। এ বছর তরমুজের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান, এক বিঘা জমির উৎপাদিত তরমুজ ৫০-৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়। দেশের বিভিন্ন স্থানে অত্র এলাকার তরমুজের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। এখানকার উৎপাদিত তরমুজ ঢাকা, নরসিংদী, বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ হয়। করোনা কালীন গ্রামীন অর্থনীতিতে এলাকার উৎপাদিত তরমুজ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here