দেওয়ান ফরিদ গাজী‘র ১১তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ. গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলী প্রকাশে এড. মাসুম মোল্লা

0
35
এফআইআর টিভি অনলাইন ডেস্কঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর,সিলেট বিভাগের অবিসংবাদিত নেতা,ভাষাসৈনিক,মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক,সাবেক মন্ত্রী ও এমপি,আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর অন্যতম সদস্য, বর্ষিয়ান রাজনীতিবীদ, জাতীয় নেতা প্রয়ত আলহাজ্ব দেওয়ান ফরিদ গাজী সাহেবের ১১তম মৃত্যু বার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলী প্রকাশ করেছেন, সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক , হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ . সাবেক সভাপতি, হবিগঞ্জ জেলা যুবলীগ. সাবেক সভাপতি, হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ. বর্তমানে হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকউটর (পিপি) এডভোকেট আবুল হাসেম মোল্লা মাসুম ।

 

একনজরে দেওয়ান ফরিদ গাজীঃ-

দেওয়ান ফরিদ গাজী (১ মার্চ ১৯২৪–১৯ নভেম্বর ২০১০) একজন বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক যিনি সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।

ফরিদ গাজী ১ মার্চ ১৯২৪ সালে তৎকালীন হবিগঞ্জ মহকুমার নবীগঞ্জের দিনারপুর পরগনার দেবপাড়া গ্রামেে এক জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার স্ত্রী আলম রওশন চৌধুরী, তাদের ৬ ছেলে ২ মেয়ে। ছেলে গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজহবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য

রাজনৈতিক জীবন[সম্পাদনা]

দেওয়ান ফরিদ গাজী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ছিলেন। ছাত্র রাজনীতির মধ্য দিয়ে তিনি রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন।

১৯৫০ সালে তিনি সিলেট গভর্নমেন্ট হাইস্কুল ও রসময় মেমোরিয়াল হাই স্কুলে শিক্ষকতা করতেন। ১৯৫১ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগের সিলেট কমিটি গঠনে ভূমিকা পালন করেন। ১৯৫৩ সালে তদানীন্তন সিলেট মহকুমা আওয়ামী মুসলিম লীগের যুগ্ম সম্পাদক হন। ১৯৫২ থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত তিনি সিলেটের সাপ্তাহিক যুগভেরী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ১৯৫৭ সালে তিনি বৃহত্তর সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

তিনি ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সিলেট সদর আসন থেকে এমএনএ নির্বাচিত হন।

তিনি ৬ দফা আন্দোলনভাষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণসহ তৎকালীন সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধে ৪নং ও ৫নং সেক্টরে বেসামরিক উপদেষ্টার ও উত্তরপূর্ব রণাঙ্গনের আঞ্চলিক প্রশাসনিক কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। তিনি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালের সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

১৯৭২ সালে তিনি বৃহত্তর সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন সিলেট-৮ (বর্তমান সিলেট-১) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।[১]

তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের তৃতীয় মন্ত্রিসভায় তিনি প্রথমে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী পরে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[২] মোশতাক আহমেদের মন্ত্রিসভায়ও তিনি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[৩]

১২ জুন ১৯৯৬ সালের সপ্তম, ২০০১ সালের অষ্টম ও ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে হবিগঞ্জ-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।[৪][৫][৬] তিনি সপ্তম জাতীয় সংসদে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও নবম জাতীয় সংসদে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[৭]

মৃত্যু[সম্পাদনা]

দেওয়ান ফরিদ গাজী বার্ধক্যজনিত কারণের পাশাপাশি ছাড়াও ফুসফুস, বৃক্কের রোগ ও ডায়বেটিসজনিত সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে ১৯ নভেম্বর ২০১০ সালে মৃত্যুবরণ করেন।[২]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here