নোয়াপাড়ায় বিকাশ একাউন্ট আপডেট দেয়ার নামে জালিয়াতি

0
24

মোঃ শামীম মিয়া-স্টাফ রিপোর্টার, মাধবপুর মাধবপুরে বিকাশ একাউন্ট ব্যালেন্স চেক ও আপডেট দেয়ার নামে জালিয়াতির শিকার হয়েছেন এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। ভুক্তভোগী উপজেলা শাহপুর নতুন বাজার মায়ের দোয়া বাহার ভেরাইটিজ স্টোরের প্রোঃ অত্র ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ মোহাম্মদ বাহার ।

প্রতারণার মাধ্যমে পার্সোনাল বিকাশ ও এজেন্ট বিকাশের মালিকদের লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। বিকাশ একাউন্ট আপডেট দেয়ার নামে সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। গত কয়েক বছর ধরে তারা গ্রুপ করে বিকাশ প্রতারণা করছে। করোনা মহামারীর মধ্যে এ প্রতারক চক্র বেপরোয়া হয়ে ওঠেছে।

গত ( ০৩ ফেব্রয়ারি ২০২১ ) একি প্রতারণার শিকার হয়েছেন হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা ৯নং নোয়াপাড়া ইউনিয়নের শাহপুর নতুন বাজারের একটি ভেরাইটিজ স্টোর এর মালিক। দোকানের মালিক এর অনুপস্তিতে দোকানের কর্মচারীর কাছ থেকে বিকাশ এজেন্টের মোবাইল থেকে নগত ২০,০০০ হাজার টাকা বি টু বি করিয়া নিয়ে গেছেন এক বিকাশ মাঠকর্মী বলে অভিযোগ উঠেছে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে ভুক্তভোগী বাহার বলেন, আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। শাহপুর নতুন বাজারে বাহার স্টোর নামক বিকাশ, ফ্লেক্সিলোড এন্ড ভেরাইটজ স্টোর নামক দোকান আমার ব্যবসা প্রতিষ্টান। মাঠকর্মী মোঃ আতিক মিয়া(২৮) উপজেলা ইউনিয়ন নোয়াপাড়া এলাকাধীন বিকাশ মাঠকর্মী হিসেবে প্রত্যক ব্যবসায়ীদের মোবাইলে বিকাশ লোড দিয়া নগত টাকা উত্তোলন করে থাকে।

এমতাবস্থায় আমার দোকানে কর্মচারী মোঃ আবু ছালামের নিকট হইতে আমার বিকাশ এজেন্ট নম্বর (০১৭৭৫-৫৬৩৩২১) এর ব্যালেন্স চেক করার কথা বলে আমার বিকাশ এজেন্ট ফোনটি তার হাতে নেয়, তার ব্যবহৃত বি টু বি নম্বর (০১৯৭৯-২৭১৫৬৩) এ আমার বিকাশ এজেন্ট নম্বর হতে ২০,০০০ হাজার টাকা বি টু বি করার শেষে মোবাইল আবু ছালামের হাতে দিয়ে নেট নেই বলে চলে যায়।

পরবর্তী সময় এই দিনেই বিকাল বেলায় দোকানে আসি আমি। এসে আমার বিকাশ এজেন্ট নম্বর এর ব্যালেন্স ও ইনবক্সে এসএমএস পরীক্ষা করে দেখতে পাই, আমার বিকাশ এজেন্টের নম্বর (০১৭৭৫-৫৬৩৩২১) হতে আতিক মিয়ার বিকাশ (০১৯৭৯-২৭১৫৬৩ ) নম্বরে বি টু বি ২০হাজার টাকা চলে গেছে।

আমার অ-বর্তমানে আমার বিনা অনুমতিতে আমার বিকাশ এজেন্ট নম্বর হতে টাকা নেওয়ার কারন জিজ্ঞাসা করলে আতিক মিয়া ভুল শিকার করে আমার টাকা ফেরত দিবে বলে আশ্বাস দেন। দিবে দিবে বলে চলে যাচ্ছে মাসের পর মাস , অনেকদিন অপেক্ষা করলাম টাকাতো ফেরত দেয়নাই বরং আমাকে প্রাণ নাশের হুমকি দেন এবং আমার বিকাশ এজেন্ট নম্বর লক করে দেন। বর্তমানে আমার বিকাশ ব্যবসা ২ মাস ধরে অফ।

বিকাশ মাঠকর্মী মোঃ আতিক মিয়া আপনার সাথে এমন গঠনা করেছেন এই বিষয়ে বিকাশ এজেন্ট মালিকের সাথে যোগাযোগ হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বাহার বলেন- আমার ব্যবসায়িক বিকাশ এজেন্ট নম্বর হইতে টাকা আত্মসাৎ ও লক করে দেওয়ার বিষয়টি সাক্ষীসহ মাধবপুর নুপুর টেলিকম এন্ড বিকাশ কাস্টমার এর প্রোঃ রাজিব বাবুর সাথে আলোচনা ও পরামর্শ করেই আমার টাকা ফেরত পাওয়ার আশায় আমি মাধবপুর থানায় অভিযোগ করেছি । আমি এর উপযুক্ত বিচার পাওয়ার আশা করি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here