প্রতারণা করেই নিজ পরিবারের সবাইকে পথে বসিয়েছে প্রতারক হারুন শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদ

0
27

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার ঘিলাতলি গ্রামের নিয়াজ মোহাম্মদ খানের ছেলে হারুনুর রশিদ খান প্রতারনার মাধ্যমে সকল পৈতৃক সম্পদ বিক্রি করে পরিবারের সবাইকে নিঃস্ব সর্বহারা করে দিয়েছে মর্মে একটি চাঞ্চল্যকর খবর পাওয়া গেছে।
খবর নিয়ে জানা গিয়েছে যে কয়েক বছর পূর্বে উক্ত হারুন কুয়েত লোক পাঠানোর কথা বলে এলাকার কিছু লোক এবং আত্নীয় স্বজনদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে সেই টাকা নিজস্ব কাজে খাটায়। আসলে বিদেশ লোক নেওয়াটা ছিল তার বাহানা মাত্র। সে জান্ত এই কথা না বল্লে কেউ তাকে টাকা দিবে না। আর জমি বিক্রি করে তার বাবা মা কিছু করার জন্য টাকা দিবে না। তাই সে তার বাবা মাকে বলে আদম ব্যবসাটা খুবই লাভজনক। অল্প দিনে কোটি কোটি টাকা কামানোর এটাই একমাত্র উপায়। এভাবে তার বাবাকে লোভ দেখালে তিনি কোনো দিকবিদিক বিবেচনা নাকরেই এক কথায় রাজি হয়ে যায়। তাই বাবাকে সাইনবোর্ড বানিয়ে লোকজনের কাছ থেকে কুয়েত পাঠানোর কথা বলে প্রচুর টাকা হাতিয়ে নেয়। বিদেশে পাঠানোর নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হলেও যখন দেখা গেল কাউকে এই প্রতারক হারুন বিদেশে পাঠাতে পারছে না তখন তারা টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য তার উপর বিশাল চাপ সৃস্টি করে। এতে হারুন কাউকে টাকা না দিয়ে আত্নগোপন করে। পক্ষান্তরে এই টাকার জন্য এলাকার লোকজন তার বাবাকে ধরে। এলাকায় এই বিষয়টি নিয়ে অনেক বিচার সালিশ হয়। বিষয়টি জানার পর হারুন বাবা ও পরিবার পরিজনের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দয়। লোকজনের টাকা পরিশোধ করার মত অর্থও তার পিতার ছিল না। কিন্তু মাঠ ভরা ধান গোয়াল ভরা গরু ছিল। নগদে পরিশোধ করতে না পারায় পাওনাদার হারুনের বাবা ও পরিবার পরিজনকে রাস্তাঘাটে আপমান অপদস্ত এবং লাঞ্ছিত করতে থাকে। এই অপমানের যন্ত্রণা সইতে না পেরে সহজ সরল নিয়াজ মোহাম্মদ খান জমি বিক্রি করে বিদেশ পাঠানোর জন্য যে টাকা হারুন নিয়েছিলো তা দিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। পরে জমি বিক্রি করে অনেকর টাকা দিলেও এলাকার বাইরের লোকদের টাকা দিতে পারে নাই।এতেই তার মাঠ ভরা জমি আর গোয়াল ভরা গরু প্রায় সবাই শেষ হয়ে যায়। এই সম্পদ হারানো যে একটা কস্ট তা তিনি সহ্য করতে না পেরে দিন দিন অর্ধাহারে অনাহারে অসুস্হ হয়ে পরে। কথায় বলে না সন্তান হারানোর কস্ট সহ্য করা যায় কিন্তু সম্পদ হারানোর বেদনা সহ্য করা যায় না। এই সম্পদ হারানোর কস্টেই তিনি ধীরে ধীরে অসুস্থ হয়ে পরেন। পর্যায় ক্রমে তিনি বিছানায় পরে যান। শয্যা শায়ী হয়ে দশবারো বছর রোগে শোকে দীর্ঘ দিন দুরারোগ্য রোগে পতিত হন। এর পর তিনি আর সুস্থ হয়ে উঠেন নি। বিছানায়ই প্রস্রাব পায়খানা করতেন।শেষে বাকরুদ্ধ হয়ে পরেন। লোকজন পর্যন্ত চিন্তে পারতেন না। পরিশেষে দীর্ঘ রোগভোগে কিছু দিন পূর্বে মৃত্যু বরন করেন।পরবর্তীতে তার আরো কিছু প্রতারণার চিত্র তুলে ধরা হবে।

এই তথ্য প্রকাশের মাধম্যে সংবাদ প্রকাশ হয় বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন টিভি এবং নিউজ পোর্টালে, যা দেখে আমি ও আমার পরিবারের দৃষ্টিগোচর হয় । সংবাদে যা প্রকাশ করা হয়েছে তা সম্পূর্ন মিথ্যে ও বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন এমটাই দাবী হারুন ও তার পরিবারের ।
এই বিষয়ে হারুনসহ তার পরিবারের সাথে সরাসরি ও মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে জানাযায়,তাদের পৈতিক সম্পদ ভাগ বাটোয়ারায় কোন সদস্যকে অবগত না করে করা হয়নি । সকলের অবগতি ও সম্মতিক্রমে ওয়ারিশান বন্টন করা হয় । তাতে কোন প্রকার বিন্দু পরিমান মিথ্যে নয় ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here