মাধবপুরে চেয়ারম্যান অফিসে সালিশের রায় ঘোষণার পর প্রতিপক্ষের উপর হামলা শিক্ষার্থীসহ আহত -০৫

0
50

এম এ কাদেরঃ হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার ৯নং নোয়াপাড়ায় ইউনিয়ন পরিষদে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে মামলা মোকদ্দমার এক সালিশের আয়োজন করেন নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান সৈয়দ আতাউল মোস্তফ সুহেল।

সালিশের রায় নিজেদের অনুকুলে না আসার আশংকায় প্রতিপক্ষের লোকজনের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।বুধবার ১৬ই মার্চ দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ আতাউল মোস্তফা মোঃ সোহেল ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে তিনি বলেন,নোয়াপাড়া ইউনিয়ন গ্রাম আদালতে উত্তর নোয়াপাড়া গ্রামের মোঃ সালাউদ্দিন মিয়া ওরফে লাল জামাই এবং আব্দুল হামিদ ওরফে রইছ আলী সর্দার গং এর বিচার কার্য শেষে রায় ঘোষণার পর উভয় পক্ষ বাড়ি ফেরার পথে ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স সংলগ্ন রাস্তায় কথা কাটাকাটির জেরে একটি সংঘাত সৃষ্টি হয়েছিল।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়,নোয়াপাড়া ইউনিয়নের উত্তর নোয়াপাড়া গ্রামের সালাহ উদ্দিন ওরফে লাল জামাই’র পরিবারের সাথে একই গ্রামের রইছ মিয়ার পরিবারের জায়গাজমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে।এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ এবং মামলা মোকদ্দমা চলে আসছে। উভয় পক্ষের মধ্যে শান্তি স্থাপনের জন্য স্থানীয় চেয়ারম্যান সালিশ বৈঠক ডাকেন। সালিশে উভয়পক্ষের স্বাক্ষ্য প্রমান ও দলিল দস্তাবেজ পর্যালোচনা শেষে রায় ঘোষণার প্রাক্কালে বৈঠকস্থল ত্যাগ করে প্রতিপক্ষের লোকজন সালাহ উদ্দিন খানের লোকজনের উপর চেয়ারম্যান অফিসের অদূরে অতর্কিতে হামলা চালায়। হামলায় বোরহান উদ্দিন, রাহিম, ও মোসলেহ উদ্দিন তুহিনসহ ৫ জন আহত হয়।গুরুতর আহত মোসলেহ উদ্দিন তুহিনকে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, তুহিনের মাথা এবং হাতে আঘাত পেয়েছে।তার মাথার আঘাত গুরুত্বরে । মোঃ সালাউদ্দিন খান জানায়, রইছ মিয়ার লোক জন পূর্বে থেকে উৎপেতে থাকে এবং পূর্বে পরিকল্পিতভাবে আমার ছেলেসহ লোকজনের উপর হামলায় করে। যে জমি নিয়ে বিরোধিতা সৃষ্টি হয়েছে তা আমার স্ত্রী’র পিত্তিসূত্রে ক্রয় সম্পত্তি। আমি ভোগদখল করে আসছি দীর্ঘ দিন যাবত। তারা অনৈতিকভাবে এমন জোর জুলুম চালিয়ে আসছে।

আর রইছ মিয়ার জানান, উনার কিছু লোক আহত হয়েছে তারা হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দিন রয়েছেন।

সালিশ বৈঠকে উপস্থিত উত্তর নোয়াপাড়ার মাফুজ মিয়া সর্দার জানান, তার জীবনে সালিশ পন্ড করার এমন ঘটনা কখনো দেখেননি।রইছ মিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি দলিলমুলে এ জমির মালিক বলে দাবী করেন।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মোঃ আব্দুর রাজ্জাক এ ব্যাপারে কোনো অভিযোগ পাননি বলে জানান। তিনি আরো বলেন অভিযোগ পেলে আইন পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here