মাধবপুর নোয়াপাড়ায় বিকাশ একাউন্ট আপডেট দেয়ার নামে জালিয়াতির শিকার হয়েছে এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী

0
229

মোঃশামীম মিয়া,স্টাফ রিপোর্টারঃ হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুরে বিকাশ একাউন্ট ব্যালেন্স চেক ও আপডেট দেয়ার নামে জালিয়াতির শিকার হয়েছেন এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী । প্রতারণার মাধ্যমে পার্সোনাল বিকাশ ও এজেন্ট বিকাশের মালিকদের লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি চক্র। বিকাশ একাউন্ট আপডেট দেয়ার নামে সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। গত কয়েক বছর ধরে তারা গ্রুপ করে বিকাশ প্রতারণা করছে। করোনা মহামারীর মধ্যে এ প্রতারক চক্র বেপরোয়া হয়ে ওঠেছে।

গত (০৩ ফেব্রয়ারি)২১ ইংরেজি একি প্রতারণার শিকার হয়েছেন হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা ৯নং নোয়াপাড়া ইউনিয়নের শাহপুর নতুন বাজারস্হ একটি বিকাশ ও ভেরাইটজ স্টোর নামক দোকানের মালিক ওনার অনুপস্তিতে দোকানের কর্মচারীর কাছ থেকে বিকাশ এজেন্টের মোবাইল থেকে নগত ২০,০০০ হাজার টাকা বি টু বি করিয়া নিয়ে গেছেন এক বিকাশ মাঠকর্মী আতিক মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে ।
আতিক মাধবপুর উপজেলার ১১নং ইউনিয়ন বাঘাসুরা ইউপির, হরিতলা গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে ।

ভুক্তভোগী উপজেলা শাহপুর নতুন বাজার মায়ের দোয়া বাহার ভেরাইইজ স্টোরের প্রোঃ অত্র ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ মোহাম্মদ বাহার । এই বিষয়ে জানতে চাইলে ভুক্তভোগী বাহার বলেন- আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী স্হানীয় শাহপুর নতুন বাজারস্হ বাহার স্টোর নামক বিকাশ, ফ্লেক্সিলোড এন্ড ভেরাইটজ স্টোর নামক দোকান আমার ব্যবসা প্রতিষ্টান। মাঠকর্মী মোঃ আতিক মিয়া(২৮) উপজেলা ইউনিয়ন নোয়াপাড়া এলাকাধীন বিকাশ মাঠকর্মী হিসেবে প্রত্যক ব্যবসায়ীদের মোবাইলে বিকাশ লোড দিয়া নগত টাকা উত্তোলন করিয়া থাকে ।

এমতাবস্থায় আমার দোকানে কর্মচারী মোঃ আবু ছালামের নিকট হইতে আমার বিকাশ এজেন্ট নম্বর – ০১৭৭৫ ৫৬৩৩২১ এর ব্যালেন্স চেক করার কথা বলিয়া আমার বিকাশ এজেন্ট ফোন খানা তাহার হাতে নেয়, তাহার ব্যবহৃত বি টু বি নম্বর ০১৯৭৯ – ২৭১৫৬৩ এ আমার বিকাশ এজেন্ট নম্বর হইতে ২০,০০০ হাজার টাকা বি টু বি করার শেষে মোবাইল আবু ছালামের হাতে দিয়ে নেট নেই বলিয়া চলিয় যায়।

পরবর্তী সময় এই দিনেই বিকাল বেলায় দোকানে আসি আমি এসে আমার বিকাশ এজেন্ট নম্বর এর ব্যালেন্স ও ইনবক্সে এসএমএস পরীক্ষা করিয়া দেখিতে পাই। আমার বিকাশ এজেন্টের নম্বর ০১৭৭৫- ৫৬৩৩২১ হইতে আতিক মিয়া বিকাশ বি টু বি ০১৯৭৯-২৭১৫৬৩ এই নম্বরে ২০,০০০ / হাজার টাকা চলিয়া গেছে ।

আমার অ-বর্তমানে আমার বিনা অনুমতিতে আমার বিকাশ এজেন্ট নম্বর হইতে উত্ত টাকা নেওয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করিলে’আতিক মিয়া ভুল শিকার বসত্ত হয়েছে শিকার করে আমার টাকা ফেরত দিবে বলে আশ্বাস দেন,দিবে দিবে বলে চলে যাচ্ছে মাসের পর মাস,অনেকদিন অপেক্ষা করলাম টাকাতো ফেরত দেয়নাই বরং আমাকে প্রাণ নাশের হুমকি দেন এবং আমার বিকাশ এজেন্ট নম্বর লক করে দেন। বর্তমানে আমার বিকাশ ব্যবসা ২ মাস ধরে অফ।

বিকাশ মাঠকর্মী মোঃ আতিক মিয়া আপনার সাথে এমন গঠনা করেছেন এই বিষয়ে বিকাশ এজেন্ট মালিকের সাথে যোগাযোগ হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বাহার বলেন- আমার ব্যবসায়িক বিকাশ এজেন্ট নম্বর হইতে টাকা আত্মসাৎ ও লক করে দেওয়ার বিষয়টি সাক্ষীসহ মাধবপুর নুপুর টেলিকম এন্ড বিকাশ কাস্টমার এর প্রোঃ রাজিব বাবুর সাথে আলোচনা ও পরামর্শ করেই আমার টাকা ফেরত পাওয়ার আশায় আমি মাধবপুর থানায় অভিযোগ করেছি,আমি এর উপযুক্ত বিচার পাওয়ার আশায় ।
ভূক্তভোগি শেখ বাহারের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমার বিকাশ একাউন্ট হতে প্রত্যারনা করে টাকা নেওয়া আমি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি । এই অভিযোগের ভিত্তিতে এস আই নজরুল ইসলাম সরজমিন তদন্ত করেছেন এবং এর সততার প্রমাণ পেয়েছে । স্হানীয় সালিশানে সমাধানের চেষ্টাও চলছে ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here