শাহপরাণ উপশহরে চার পরিবারকে মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ

0
296

এফআইআর টিভি অনলাইন ডেক্সঃ শহরতলীর শাহপরাণ উপশহরে চার পরিবারকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। জনৈক মুজিবুর রহমান ডালিম ও তার সহযোগীরা ওই চার পরিবারের বসতবাড়ি দখল করতে তাদেরকে নানাভাবে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ করেছেন মৃত সোনা বসাকের মেয়ে রীমা বেগম রুনি। শনিবার সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে রীমা বেগম বলেন, তারা চারটি পরিবার কয়েক দশক থেকে ওই এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করে আসছেন। তার পরিবারের সদস্যরা খাদিম চা বাগানে শ্রমিক ছিলেন। কিছুদিন পূর্বে জনৈক মুজিবুর রহমান ডালিম ওই এলাকায় জায়গা কিনে বাসা বানান। প্রতিবেশি হিসেবে তিনি আমাদের বাড়িতে আসা যাওয়া করেন। এক সময় আমরা বুঝতে পারি তিনি এলাকার একজন ভূমিখেকো ব্যক্তির যোগসাজশে আমাদের বসতবাড়ি দখল করার পায়ঁতারা শুরু করেন।

রীমা বেগম বলেন, গত ২৬ নভেম্বর রাত ৮টায় আমার মামা কানাই বসাককে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে ২৫৫ লিটার চোলাই মদ হেফাজতে রাখার মিথ্যা অভিযোগে সাজানো মামলা দিয়ে জেলে পাঠানো হয়। এছাড়াও ডালিমের সহযোগী নিয়ামত আলী, তার ছেলে সুয়েব ও কাইয়ুম আমার ভাই সাক্ষাত বসাক, শাওন বসাক, রাজ, বিশ^জিত, আমার স্বামী শাকীল আহমদ এবং পিসি সুগারানী বসাককে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। তারা ডালিমের বাসার সিসি ক্যামেরা ও অন্যান্য জিনিষ ভাঙচুর করে আমাদের উপর ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করে অপপ্রচার চালায়। এ মামলায় জামিনে বের হয়ে আমি শাহপরাণ থানায় আসল হোতাদের নাম উল্লেখ করে একটি সাধারণ ডায়েরি করি। কিন্তু এ বিষয়ে থানা পুলিশ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

রীমা বেগম আরও বলেন, মুজিবুর রহমান ডালিম আমার বোন শ্যামলী বসাক ও সুগারানী বসাক এবং আমার ছবি ব্যবহার করে বিভিন্নি অনলাইনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে সমাজে আমাদেরকে হেয় প্রতিপন্ন করেন। আমার বোন শ্যামলী বসাক ওরফে লাইলি একজন মহিলা ফুটবলার। সে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ে এবং বিভাগীয় লিগে ফুটবল খেলেছে। পাশাপাশি সে একজন সঙ্গীতশিল্পীও। আমরা সার্বিক বিষয় উল্লেখ করে এসএমপি কমিশনার বরাবর দরখাস্ত করি। এরই প্রেক্ষিতে তদন্ত কর্মকর্তা চার্জশীট থেকে আমার, বোন শ্যামলী, কালা ময়না ও লক্ষীন্দরের নাম বাদ দেন। গত ২০ মার্চ ডালিমের গাড়িচালক সুয়েব আমাদের বাড়ীর সীমানার ভিতর রাস্তা অবৈধভাবে রাস্তা বানাতে চাইলে আমি বাধা দেই। এ সময় সে আমার শ্লীলতাহানি ঘটায় এবং মারধর করে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ নিয়ে গেলেও গ্রহণ করা হয়নি।

তিনি বলেন, সুগারানী বসাক খাদিম চা বাগানের তিন বারের মহিলা জনপ্রতিনিধি ছিলেন। তার জনপ্রিয়তার কারণে প্রতিপক্ষ ডালিমকে ব্যবহার করছে। তিনি বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে বসতভিটা দখল করার পাঁয়তারা করছে ডালিম ও তার সহযোগীরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here