সোর্স কুদরতের অপকর্মে শেষ কোথায় ? পর্ব-০৩

0
29

এম এ কাদেরঃ দিনের পর দিন মানুষকে জিম্মি করে নিজের স্বার্থ আদায় যার নিত্যদিনের পেশা সেই সোর্স কুদরতের অপকর্মে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে অনুসন্ধানে বেরি আসল এক ভয়ানক চিত্র।

কুদরত নিজের অপরাধ কর্মকান্ডের বিষয় গুলো দামাচাপা দেয়ার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে যাচ্ছে বলে অহরহ প্রমাণ মিলছে হবিগঞ্জ তথা মাধবপুর উপজেলা জুড়ে।

২০১৭ সালের শেষ দিকে মাধবপুর উপজেলার শাহপুর নামক গ্রামে বিউটি ( ছদ্মনাম)  নামের ১৪ থেকে১৫ বছরের একটি মেয়ে কে জোর পূর্বক ধর্ষণ করার চেষ্টা করে। পরে মেয়েটি সুর চিতকার করায় পার্শ্ববর্তী লোকজন এসে কুদরত কে আটক করে। পরে স্হানীয় সালিশিয়ানদের মাধ্যমে জীবনের ভুল সংশোধন করার সুযোগ চেয়ে, ২০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে রেহাই পায়।

এছাড়া মাদক সেবনের টাকা যোগাড় করতে ব্যর্থ হলে তখন সে, বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িয়ে যেতে কোন প্রকার দিধাবোধ করেনা। কারো কাছ থেকে টাকা ধার নিলে ফেরত দেওয়ার সময় হলে, তখন প্রশাসনের সাথে অপারেশনে আছে এই বলে তালবাহানা শুরু করে। এমনকি পাওনাদার যদি টাকার জন্য বেশি চাপদেয় তখন ডিবি পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে হুমকিও দিয়ে থাকে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তা নয়, সোর্স কুদরতের কাছে বেশ কিছু পতিতালয়ের মেয়েদের আনাগোনাসহ খুব সু-সম্পর্ক রয়েছে। তাদের সাথে টু নাইন্টি ( মাদক সেবন ও নর্থকী)  ব্যবসায়ীক সম্পর্ক থাকার কারনে, যে কোন মানুষকে ধর্ষণ মামলার ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কিছু লোক জানান, নোংরামি কাজ গুলোর বিষয়ে মুখ খুলে কিছু বলার থাকে না। আর মুখ খুললে যদি ধর্ষণ মামলায় আসামি করে দেয় এই ভয়ে কেউ মুখ খুলতে রাজি নয়।  আমি নির্দোষ প্রমাণ করাতে গেলে নিজের ইজ্জত হারিয়ে অনেক ক্ষতি সাধিত হওয়ার পর প্রমান হবে আমি নির্দোষ। যার কারনে কোন লোক সোর্স কুদরতের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায় না বা খুলতে চায় না। এই ব্যাপারে ভুক্তভোগীদের কাছে জানতে চাইলে, কেন আপনারা প্রশাসন কে অবগত করেন না?  উত্তরে তারা বলেন, সোর্স কুদরত অধিকাংশ সময় প্রশাসনের সাথে কাজ করে বলে আমরা জানি। প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ভুল বুজিয়ে আমাদের কে আরো বেশি হয়রানি করবে বলে কোন লোকই তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায় না এবং আমরাও মুখ খুলে কথা বলতে পারি না। তাছাড়া সেই সোর্স বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত রয়েছে। সে যে কোন সময়, যে কোন ব্যক্তিকে ফাসানোর জন্য প্রস্তুত থাকে। তাই আমরা তার সাথে বাড়াবাড়ি করি না। কিন্তুক আমাদের দৃড় বিশ্বাস ছিল এক দিন না এক দিন তার সকল অপকর্ম প্রকাশিত হবে বলে আমরা সময়ের প্রহর গুনেছিলাম। যা আজ আমরা বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকাসহ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং সোশাল মিডিয়া দেখতে পাচ্ছি প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন যাবত। আমরা গনমাধ্যম কর্মী ও পত্রিকার সম্পাদকদের ধন্যবাদ জানাই, এই মুখোশধারী ভয়ংকর সোর্স নামক কুদরতের অপকর্মে সংবাদ প্রকাশ করার জন্য। সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর থেকে সেই সোর্স ঘা ডাকা দিয়েছে। এই সাথে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি অনুরোধ রইল আপনার এই সোর্স কুদরতের অপকর্মে বিষয়ে সুষ্ঠ নিরপেক্ষ তদন্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির ব্যবস্থা করেন। যাতে করে সোর্স কুদরতের হয়রানির কবল থেকে সাধারণ মানুষ শান্তিতে বাঁচতে পারে।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, হবিগঞ্জ তথা মাধবপুর উপজেলা জুড়ে বেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠার সুবাদে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার মানুষ কর্মস্হান পেয়ে চাকুরী করে যাচ্ছে। কিন্তুক সোর্স কুদরতের সিন্ডিকেটের দ্বারা প্রতিনিয়ত চুরি চিনতাইয়ের কবলে পড়তে হচ্ছে প্রায় সময়ই। কারো মোবাইল, কারো চেইন, কারো লেপটপ হারিয়ে নিঃশব্দে বাসায় ফিরতে হচ্ছে। প্রমানের অভাবে কোন প্রতিকার পাচ্ছে না কর্মরত শ্রমিকরা।

সোর্স কুদরত বেশ কিছু দিন যাবত সোশাল মিডিয়া নিজের ফেইসবুক ও ফেইক আইডি থেকে মেসেঞ্জারে বিভিন্ন মানুষকে লোভনীয় অফার করেছে, আমার কাছে কাচের বোতল তিনটি মেগনেট আছে। দেখানোও বিক্রির প্রস্তাব দিয়ে মানুষকে ডেকে এনে প্রশাসনের ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মাদক ব্যবসাসহ শতাধিক অভিযোগ সোর্স কুদরতের বিরুদ্ধে ! তার কুটির জোর কোথায় ? প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে একের পর এক অপরাধ করেই যাচ্ছে এই সোর্স।

সোর্স কুদরতের বিরুদ্ধে জাতীয় দৈনিক, স্হানীয় দৈনিক ও অনলাইন নিউজ পোর্টালসহ সংবাদ প্রকাশ করা পর থেকে সোসাল মিডিয়া এবং প্রশাসনের কাছে নিজের অপকর্ম ডেকে রাখার জন্য বিভিন্ন কৌশলে দৌড়যাপ শুরু করেছে।

একের পর এক অপকর্ম করেও বার বারই পার পেয়ে যাচ্ছে হবিগঞ্জ জেলা মাধবপুর উপজেলার ১১নং বাঘাসুরা ইউ’পির হরিতলা গ্রামের আনোয়র আলীর ছেলে কথিত সোর্স কুদরত আলী।

ফলোআপঃ-এলাকায় নীরিহ লোকজনকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন ভাবে জিম্মি করে টাকা আদায় করছে এবং এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভয়ে এলাকার লোকজন মুখ খুলে কিছু প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। সোর্স কুদরতের বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তি মুখ খুলে কোন প্রতিবাদ করলেই মিথ্যা মামলা মোকদ্দমা, জেল, জরিমানা ও হয়রানীর শিকার হতে হয়। মানুষকে হয়রানি আর ব্লাকমেইল করাই যেন তার নিত্য দিনের কাজ।

সম্প্রতি উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়নের এক্তারপুর গ্রামের জনৈক নুরুল আলম ওরফে ফালান মিয়ার বাড়ি থেকে কিছু দিন পূর্বে ডিবি পরিচয় দিয়ে ৩টি দামী মোবাইল সেট নিয়া যায়। পরে ঘটনা জানি জানি হয়ে গেলে কুদরত আলীর চাচাতো ভাই খোকন মিয়া জনৈক ব্যাক্তিকে জানায় যে, কুদরত-ই ডিবির পরিচয়ে মোবাইল চুরি করে। সাথে সাথে লোকজন কুদরত আলির বাড়ি ঘেরাও করে এবং তাকে বলে মোবাইল গুলি দিয়ে দেওয়ার জন্য। কুদরত তাদের কাছ থেকে দু’দিন সময় নেন, যে এর ভিতরে মোবাইল ফেরত দিবে। পরে জরিমানাসহ মাফ চেয়ে বলেন, কোন ব্যক্তির কাছে এই বিষয়টা প্রকাশ না করেন। করলে ডিবি পুলিশসহ প্রশাসনের সাথে সোর্স সম্পর্কের কাজের পাটল ধরে যাবে।

অন্যদিকে খোকন কেন এ তথ্য দিল নুর আলম ওরফে ফালান’কে কেন জানাইল এজন্য মোবাইলে ভয়েস ম্যাজেসসহ ফোনে প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে সোর্স কুদরত। এ ব্যাপারে খোকন মাধবপুর থানায় সাধারণ ডাইরি দায়ের করেন। এতে কুদরত আর ও ক্ষিপ্ত হয়ে গিয়ে গত ৭ই এপ্রিল রাত ৯ টার দিকে মেটাডর কোম্পানির পাশে খোকন মিয়ার উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে তাকে ক্ষত-বিক্ষত করে আহত অবস্থায় রাস্তায় ফেলে চলে যায়।

পরে স্থানীয় লোকজন খোকনকে উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করে। পরবর্তীতে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর কিছুটা সুস্থ হয়ে খোকন মাধবপুর থানা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ২৫,তারিখ ১৩-০৪-২০২২ইং। মামলার থেকে সোর্স আত্বগোপনের রয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার অনেকেই প্রকাশ করেছেন, সোর্স কুদরত টাকার বিনিময়ে যে কোন ব্যক্তিকে মাদকসহ যে কোন অপরাধে ফাসানো তার জন্য নতুন কিছুই নয়। যার ফলে কুদরত কে দেখলে সাধারন মানুষ আতংকিত হয়ে যায়। শুধু তাই নয় কুদরত এর দ্বারা অগনিত মানুষ হয়রানির স্বীকার হচ্ছে বলে ও ভুক্তভুগিরা জানান।

এছাড়া মাদক ব্যবসা, চোরাচালান, মামলার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিয়ে মানুষের কাছ থেকে মোটা অংকের আদায় করে যাচ্ছে সোর্স কুদরত।

নিজস্ব লোক দিয়ে চুরি, ডাকাতি করানো এবং চুরির ডাকাতি মামলায় ফাসিঁয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে চাদা দাবীসহ শতাধিক অভিযোগ রয়েছে কুদরতসহ তার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে দীর্ঘ বছর যাবত সোর্স পেশায় কাজ করার ফলে তিনি নিজেই সমগ্র জেলায় তৈরী করে নিয়েছে কয়েকটি সিন্ডিকেট। তাঁর এক সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে মাদক আমদানি পাচার। এক সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ভারতীয় শাড়ী, ত্রি-পিছ, জিরা, গাড়ীর টায়ার ও চা-পাতা আমদানী ও পাচার। অপর সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রনে বিভিন্ন মামলায় আসামী করা ও মামলা থেকে নাম কর্তনের কথা বলে টাকা আদায়। আর সে নিজে বিভিন্ন ব্যক্তিকে মাদক মামলাসহ বিভিন্ন মামলায় ফাসিঁয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা আদায়। এসব অপকর্ম করে তিনি অল্প দিনেই ত্রাসের রাজত্ব গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে ।

ডিবি পুলিশের চিহ্নিত সোর্স কুদরত এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত ব্যক্তিসহ মামলা মোকদ্দমার আসামীদের কাছ থেকে ডিবির সোর্স পরিচয় দিয়ে বলে যে, স্যার যা দাবী করছেন তা দিয়ে দেন, না দিলে আপনি সহ আপনার আত্মীয় স্বজনরা বিপদে পড়বে, আর বিষয় গুলোতে প্রশাসনে কর্মকর্তা জড়িত নেই বলেও অনুসন্ধানে জানা গেছে । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এমন অনেক ভুক্তভোগী রয়েছে। আর এতে করেই বেড়িয়ে আসতে থাকে সোর্স কুদরতসহ তার সিন্ডিকেটের সকল অপকর্মের ফিরিস্তী।

একাধিক নির্বরযোগ্য সুত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, এত কিছুর পরেও তিনি কিভাবে সকল অপরাধ থেকে মুক্তি পেয়ে যাচ্ছে এমন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে সাধারণ মানুষের মাঝে। সবারই এখন একই কথা সোর্স কুদরতের কুঠির জোর কোথায় ? তবে সে নিজেকে বাংলাদেশ পুলিশের গোয়েন্দা শাখার ওসির ধর্ম পুত্র পরিচয় দিয়ে দাবড়িয়ে বেড়াচ্ছেন সর্বত্র। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এই সোর্স কুদরত প্রশাসনের কোন কর্মকর্তার ধর্ম পুত্র নহে বলেও অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসছে।

আরো জানা যায়, হবিগঞ্জ জেলাসহ বিভিন্ন উপজেলায় নিজেস্ব লোকজন তৈরী করেন সোর্স কুদরত। আর ওই সকল লোক দিয়ে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে মাদক ব্যবসাসহ সকল অপকর্ম পরিচালনা করে আসছেন।

এদিকে একটি নির্বরযোগ্য সুত্র জানায়,একই সাথে মাদক ব্যবসায়ীদের মাসোহারা দিয়ে তাদের মাদক ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ করে দেয়া হয়। কিছু সময় প্রশাসনের অভিযানের খবর মাদক ব্যবসায়ীদের তাত্ক্ষণিকভাবে পৌঁছিয়ে দেয়। আবার যারা সোর্স কুদরত’কে মাসোহারা দিতে চায় না, তাদের কে যে কোন কৌশলে প্রশাসনের হাতে তুলে দেয়।

মাধবপুর থানার বিভিন্ন এলাকার মাদক সম্রাটসহ অপকর্মে জড়িত ব্যক্তিদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা মাসোহারা আদায় করে আসছে সোর্স কুদরতসহ তার সিন্ডিকেট।

২০১৯ ইং ১৫ মে রাত সাড়ে ১১ টার দিকে মাধবপুর থানার বাঘাসুরা এলাকার জেএস ট্রান্সপোর্ট (হযরত শাহজালাল রহঃ হোটেল এর পাশ থেকে রিয়াজনগর গ্রামের পাভেল মিয়ার পকেটে ইয়াবা ট্যাবলেট ঢুকিয়ে দিয়ে এক লাখ টাকা আদায় করে ডিবির একটি টিম ঘটনাস্থলেই ছেড়ে দেয়। বিষয়টি স্থানীয় মেম্বারসহ অনেকেই অবগত হন। এই ঘটনায়ও সোর্স কুদরতের হাত রয়েছে বলে বিভিন্ন মহলের নাগরিকদের কাছ থেকে প্রকাশ পায়।

মাসোয়ারা নিজে গ্রহন ও প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের কে তুলে দেওয়ার বিনিময়ে বিভিন্ন কৌশলে তাঁর মনোনীত লোকজন দ্বারা লাগামহীণ দূর্নীতি করে যাচ্ছে।

মাধবপুরের তেলিয়াপাড়া চা-বাগন ভারত সীমান্তবর্তী হওয়ায় ওই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনে মাদক দ্রব্য দেশে প্রবেশ করে। যার সিংহভাগ অর্থ আদায় করছে প্রশাসনের নাম ভাংঙ্গিয়ে সোর্স কুদরত।

অভিযোগ রয়েছে গত ২০১৯ সালে রোজার ঈদের ৫ দিন পূর্বে মাধবপুর থানার শাহজিবাজার থেকে ২ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে ২১ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একটি সিএনজি গাড়ী আটক করে ডিবি পুলিশের একদল টিম। পরবর্তীতে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে মাত্র ১৩শ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে তাদের চালান দেওয়া হয়। এর কিছুদিন পূর্বে হবিগঞ্জ সদর থানার টঙ্গীরঘাটের আফছর উদ্দিন এর সহযোগীতায় টেকনাফের “আলী”কে ৮ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করে একদল ডিবি পুলিশ, শহরের মাহমুদাবাদের ভাড়া বাসায় আটক রেখে নির্যাতন চালানো হয়। দৈহিক নির্যাতনের ৯ দিনের মাথায় তাঁর কাছ থেকে ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা আদায় করে খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে ছেড়ে দেয় হয় সেই অপকর্মেও হাত ছিল সোর্স কুদরতের ।

অপর একটি সুত্র জানায়, বিভিন্নভাবে আটককৃত মাদক দ্রব্য বিক্রয়ের জন্যও রয়েছে সোর্স কুদরতের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। আর এই বিশাল চক্রের দ্বারা এলাকার মানুষকে সব সময়ই আতংকিত করে রাখে সোর্স কুদরত।

সোর্স কুদরতের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ ও থানায় মামলা দায়ের করা পর থেকে বিভিন্ন কৌশলে আপোষ মিমাংসা করার জন্য উঠেপরে গেলেছে। পাশাপাশি আপোষ মিমাংসা এবং সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত না থাকলে বড় ধরনের সমস্যা হতে পারে বলেও হুমকির বার্তা বিভিন্ন মাধ্যমে দিয়ে আসছে। শুধু তাই নয় দুনিয়া থেকে চিরতরে উঠিয়ে দেওয়ার হুমকি প্রদান করছে।

সোর্স পরিচয়ের সুবাদে এলাকার গন মানুষের ঘুম হারাম করে আসছে এই সেই কুদরত।

আমার কাছে তিনটি কষ্টিপাথর আছে বলে, সোর্স কুদরত বিভিন্ন মানুষকে লোভনীয় অফার করেছে বিভিন্ন মাধ্যমে। এই কষ্টিপাথরের রহস্য তুলে ধরা হবে আগামী পর্বে।

এছাড়া, সোর্স কুদরতের আরো ভয়ংকর অপকর্ম ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করা হবে। জানতে চোখ রাখুন ( আগামী ৪র্থ পর্বে) এফআইআর টিভি অনলাইনে।

******প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, সোর্স কুদরতের অপকর্মে সংবাদ যারা প্রকাশ করতেছে তাদের কে যে কোন মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করবে বলে বিভিন্ন ভাবে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে কুদরত সিন্ডিকেটের মাধ্যমে।*******

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here